সিরাজগঞ্জে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে বাস্তুচ্যুত ও প্রাণনাশের হুমকীর ঘটনায় সংবাদ সন্মেলন

সিরাজগঞ্জে ক্ষমতাশীন দলের নেতা হওয়ার সুবাদে আপন ভাইসহ তার পরিবারকে বাস্তুভিটা থেকে উচ্ছেদের ঘটনায় উল্লাপাড়া থানায় অভিযোগ করায় ভূক্তভোগী পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকী দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় অভয়নগর রিপোর্টাস ইউনিট ক্লাবে সংবাদ সন্মেলন করেছে পরিবারটি।

ভূক্তভোগী পরিবারের বড় সন্তান মোঃ সাইফুল ইসলাম ৮ আগস্ট রবিবার দুপুর ১২ টায় অভয়নগর রিপোর্টাস ইউনিট ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সন্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলেন, সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া থানার বনবাড়ীয়া গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা মৃত রজব আলী সরকারের পুত্র সরোয়ার হোসেন ও তার পরিবার যশোর জেলার অভয়নগর থানাধীন নওয়াপাড়া জুট মিলস’এ চাকুরী করার সুবাদে নওয়াপাড়া গ্রামে বসবাস করছিলেন। চাকুরী হতে অবসর গ্রহনের পর তিনি গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জে গিয়ে বসবাস করতে চাইলে পিতার আপন ভাই মোঃ বেলাল হোসেন(৫৮), মোঃ সানোয়ার হোসেন(৪০), মোঃ হেলাল হোসেন(৫৫) আমার পিতা-মাতাকে হুমকী দিয়ে বাড়ি হতে বের করে দেয়। আমরা ঐ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের শরণাপন্ন হয়ে মিমাংশার চেস্টা করে ব্যর্থ হই। আমার পিতা পুনরায় ঐ বাড়িতে উঠতে চেস্টা করলে তারা আমাদেরকে হত্যা করবে বলে হুমকী দিয়ে বের করে দেয়। আমার চাচা মোঃ সানোয়ার হোসেন ক্ষমতাসীন দলের পঞ্চপ্রশী ইউনিয়নের যুগ্ম আহ্বায়ক হওয়ায় সুবাদে তিনি বলেছেন আমার বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ জেলায় কথা বলার সাহস কারো নেই। নিরুপায় হয়ে আমার মাতা মর্জিনা বেগম বাদী হয়ে গত ৬ আগস্ট উল্লাপাড়া মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন। পুলিশ মামলাটি তদন্ত করতে গেলে রাগান্বিত হয়ে চাচা মোঃ হেলাল হোসেন(০১৭৮৭৪৫০৫৮১), চাচা বেলালের পুত্র মোঃ কামরুল হোসেন(২০)(০১৩১১০৩৮৪২৪) গত ৭ আগস্ট শনিবার রাত ৯.১০ ঘটিকায় আমার ব্যবহৃত মুঠোফোনে(০১৯১১১৮২১১৪) কল দিয়ে আমাকে উল্লাপাড়ায় পা রাখতে বলে এবং যে কোন উপায়ে আমাকেসহ আমার পিতা-মাতাকে হত্যা করবে বলে পুনরায় হুমকী দেয় যার অডিও রেকর্ড আমার মুঠোফোনে সংরক্ষিত আছে। থানা পুলিশের কাছ থেকে কোন সমাধান না পেয়ে আমরা সংবাদ সন্মেলনের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ প্রশাসনের উর্দ্ধতন ব্যক্তিদের কাছে আকুল প্রার্থনা জানাচ্ছি, আমাদের প্রতি করা এ অন্যায়ের বিচার ও নিজ বাস্তুভিটায় বসবাসের সুযোগ দানের দাবী করছি।

এই বিভাগের সর্বশেষ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button