৫ম বর্ষ পদার্পণে: আমরা সুখী সুন্দর বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি

আমরা সুখী সুন্দর বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি

‘বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের সাহসী দৈনিক ‘ এই স্লোগানকে সামনে রেখে আলোকিত প্রতিদিন ৫ম বর্ষে পদার্পণ করলো ১৭ আগস্ট ২০২১ তারিখে। এই দিনে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব প্রান্তে আমাদের সব পাঠক, বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীকে শুভেচ্ছা, ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
গত বছরে অনেক দুঃখ-বেদনা, আনন্দ-সফলতার মধ্যে আপনারা আমাদের সঙ্গে ছিলেন এবং আছেন। আমরা আশা করি, ভবিষ্যতেও আপনারা আমাদের সঙ্গে থাকবেন।
বাংলাদেশসহ সারা পৃথিবীর মানুষ একটা কঠিন বিশেষ সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ভীতিকর করোনা অতিমারি এখনো চলছে।
এই করোনাকালে আমরা যাঁদের হারিয়েছি, তাঁদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। তাঁদের জন্য শোক প্রকাশ করছি। বিশেষ করে করোনার বিরুদ্ধে সম্মুখসারির যোদ্ধা চিকিৎসক, নার্স, পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, সাংবাদিক, সরকারি কর্মকর্তাসহ সবার প্রতি। এই সময়ে আমরা হারিয়েছি দেশের বেশ কয়েকজন সেরা ও অগ্রসরমাণ মানুষকে। হারিয়েছি অনেক রাজনীতিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে। তাঁদের সবার প্রতি আমাদের বিনীত শ্রদ্ধা। আজকের দিনে ৪ বছর আগের সেই প্রথম দিনটার কথা খুব মনে পড়ে। আলোকিত প্রতিদিন ছাপা হচ্ছে, আমরা ছাপাখানায় দাঁড়িয়ে আছি। কী যে উত্তেজনা, উদ্বেগ আর আশা! বলে বোঝাতে পারবো না। আলোকিত প্রতিদিন যে আজকের আলোকিত প্রতিদিন হতে পেরেছে, এর পেছনে অনেক গুণী কলামিস্ট, লেখক, সাংবাদিক ও পাঠকদের অবদান অনেক।
আমরা বিশ্বাস করি, মানুষ পরাজিত হয় না। অবশ্যই ২০২১-এর আগস্টের চেয়ে ২০২২-এর আগস্ট অনেক বেশি আলোকিত হবে। মানুষ সুসময় আনবে, সুদিন আসবে। আলোকিত দিন আসবে, আলোকিত প্রতিদিন সেই আলোকযাত্রায় আপনাদের পাশে থাকবে। সততার সঙ্গে, নিষ্ঠার সঙ্গে এবং বিনয়ের সঙ্গে। আমরা সুখী সুন্দর বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি।
৪ বছর ধরে বারবার বলি, আমরা ‘বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের সাহসী দৈনিক’ । আমরা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের সঙ্গে রয়েছি। শুরু থেকেই আমরা চেয়েছি একটা স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ কাগজ। লক্ষ্য ছিল, সত্য বলে যাব। কোনো পক্ষপাত করব না।
আমরা গভীরভাবে বিশ্বাস করি, বাংলাদেশে গণতন্ত্রের কোনো বিকল্প নেই। আর গণতন্ত্রে স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা খুব বেশি। আমরা সেই ভূমিকা পালন করার চেষ্টা করে চলেছি, ভবিষ্যতেও করে চলব। অমর্ত্য সেন বলেন, যে দেশে গণতন্ত্র আছে, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা আছে, সে দেশে দুর্ভিক্ষ হতে পারে না। কারণ, কোথাও খাদ্যাভাব দেখা দিলে সংবাদমাধ্যমে তা প্রকাশিত হবে, সরকার তাহলে দ্রুত ব্যবস্থা নেবে। আমরা এই নীতিতে আস্থা রাখি। সারা বছর ধরে শিল্প-সাহিত্য, শিক্ষা, অর্থনীতি, সংস্কৃতি, ক্রীড়া এবং বিজ্ঞানের সেরা উদাহরণগুলো তুলে ধরি। আমরা বাংলাদেশের অর্জনগুলোকে, বিজয়ের খবরগুলোকে গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করি। কারণ, আমাদের সবচেয়ে বড় চাওয়া হলো, সর্বক্ষেত্রে বাংলাদেশের বিজয়। চলমান করোনার দুঃসময়েও আমরা আলোকিত প্রতিদিন অনলাইন এবং ছাপা প্রকাশনা অব্যাহত রেখেছি। প্রায় সাড়ে তিন মাস (১০৬ দিন) পত্রিকা ও অনলাইনের সব কাজ বাসা থেকে করেছি। এজেন্ট-হকার ভাইয়েরা তা ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়েছেন। সবচেয়ে বড় কথা, আপনারা, আমাদের সব পাঠক আস্থা রেখেছেন। ফলে আমাদের প্রচারসংখ্যা দ্রুতই আগের জায়গায় ফিরছে। আমাদের শুভানুধ্যায়ী বিজ্ঞাপনদাতারাও আমাদের পাশে আছেন।
আপনাদের সবার ভালো হোক। আপনারা সুস্থ থাকুন। নিরাপদে থাকুন।

এই বিভাগের সর্বশেষ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button