1. niloykhan1@gmail.com : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
  2. mdfarukhossain096@gmail.com : faruk khan : faruk khan
  3. Seikhlekhun321@gmail.com : room news : room news
  4. shahinurislam6246@gmail.com : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
শনিবার, ২১ মে ২০২২, ০১:০১ অপরাহ্ন

আত্রাইয়ে কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে তরমুজ, প্রতারণার শিকার ক্রেতা

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২২
  • ৪৩ Time View

এমরান মাহমুদ প্রত্যয়,নওগাঁ

চলছে গ্রীষ্ম কালীন ফল তরমুজ’এর মৌসুম
নওগাঁর আত্রাইয়ের বিভিন্ন হাট-বাজারে কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। এতে ব্যবসায়ীরা অধিক মুনাফা লাভ করছেন এবং ক্রেতারা ঠকছেন।

ব্যবসায়ীরা তরমুজ ক্ষেত বিঘা বা পিস চুক্তিতে ক্ষেত মালিকের নিকট থেকে ক্রয় করছে। আর বাজারে তা বিক্রি করছেন কেজি দরে। এতে ব্যবসায়ীরা লাভবান হচ্ছেন আর ক্রেতা ঠকছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলার সব হাট-বাজারগুলোতে এই দৃশ্য দেখা যায়। প্রত্যেক হাটবাজারে তরমুজের দোকানে, ছোট-বড় বিভিন্ন টং দোকানে কেজি দরে তরমুজ বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা তরমুজ ক্ষেতের মালিক বা চাষির নিকট থেকে ক্রয় করেন বিঘা বা পিস চুক্তিতে। অনেক খুচরা ব্যবসায়ী আড়ৎ থেকে পিস হিসাবে তরমুজ ক্রয় করছেন।

এতে প্রতি পিস ছোট তরমুজ ২০-৩০ টাকা আর বড় প্রতি পিচ তরমুজ ৪০-৬০ টাকা করে পড়ছে।

ব্যবসায়ীরা তরমুজ কম দামে পিস হিসাবে ক্রয় করে বাজারে এনে ক্রেতার কাছে খুচরা কেজি দরে বিক্রয় করছেন।

সিন্ডিকেট করে ব্যবসায়ীরা ভালো মানের তরমুজ শুরুতে ৫০-৬০ টাকা কেজি বিক্রি করলেও এখন প্রতি কেজি ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন।

উপজেলার বৃহত্তর আহসানগঞ্জ হাট ও বান্দাইখাড়া বাজারের তরমুজ ব্যবসায়ীরা জানান, তারা বিঘা হিসাবে ক্রয় করেছেন। ক্ষেত থেকে তরমুজ বাজারে এনে প্রতি কেজি ৪০ টাকা দরে বিক্রি করছেন।
আহসানগঞ্জ হাটে এক তরমুজ ব্যবসায়ী কাছে পিস হিসেবে তরমুজ ক্রয় করে কেজি দরে বিক্রি করার কথা জানতে চাইলে একটু উত্তেজিত হয়ে বলেন,আপনাকে কেন বলতে হবে,তরমুজ কেজি দরে কিনেছি না পিস হিসাবে কিনেছি সবাই বিক্রি করছে তাই আমরাও করছি।

ভবাণীপুর,শুকটিগাছা,সমসপাড়া,কাশিয়াবাড়ী, বাজার সহ সব হাটবাজারে তরমুজ ব্যবসায়ীদের মুখে একই সুর।

তরমুজের মহা সিন্ডিকেট করে তারাও তরমুজ বিক্রি করছে কেজি দরে।

আহসানগঞ্জ হাটের তরমুজ ব্যবসায়ীরা জানান, তারা অনেক দূর থেকে তরমুজ ক্রয় করে এনেছে।

তারা ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করছে। এ বছর তরমুজের দাম অনেক বেশি। ক্ষেত থেকে বেশি দামে তরমুজ কিনতে হচ্ছে। তাই আমরা ওজনে তরমুজ বিক্রি করছি। সবাই পিস হিসাবে বিক্রি করলে আমরাও করবো বলে জানান।

উপজেলার সব স্থানে একই চিত্র তরমুজ সিন্ডিকেটের কাছে প্রতারণার শিকার ক্রেতা সাধারণ।

আহসানগঞ্জ হাটের ক্রেতা মহতাব উদ্দিন বলেন, কয়েক বছর আগেও পিস হিসাবে তরমুজ ক্রয় করছি।

এখন ৫- ৬ কেজি ওজনের একটি তরমুজ ২৪০-৩০০ টাকা দিয়ে ক্রয় করতে হচ্ছে। যা পিস হিসাবে ৮০/৯০ টাকায় ক্রয় করা যেত। ওজনে বিক্রি করায় তিনিসহ সকল ক্রেতা ঠকছেন বলে জানান।

উপজেলা দমদমা গ্রামের ভ্যান চালক সাজেদুর রহমান জানান, তরমুজ ওজনে বিক্রি হওয়াতে একটি ছোট তরমুজ কিনতে ২৫০- ৩০০ টাকা লাগছে। তাই এ বছর এখনো তরমুজ কেনা হয়নি।ওজনে তরমুজ বিক্রি হওয়ায় আমাদের মত ভ্যান চালকরা তরমুজ কিনতে পারছেনা বলে তিনি জানান।

একই আক্ষেপ মালিপুকুর গ্রামের তমিজ উদ্দিন ,উপজেলা সদরের বৃষ্টি রাণী,শরিফুল ইসলাম, সিদ্দিক আলীরাও। তারা এখনো কিনতে পারেনি তরমুজ।

এসব সিন্ডিকেট গুড়িয়ে দিতে প্রশাসন এখনো তেমন কোন উদ্যোগ নেননি, অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক দেশরত্ন.কম
Develper By ITSadik.Xyz