চরফ্যাশনে ইকোফিশ-২ প্রকল্পের উদ্যোগে সিটিজেন সায়েন্টিস্ট দের মধ্যে প্রশিক্ষন ও উপকরণ বিতরণ

তৈয়্যবুর রহমান চরফ্যাশন।

ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলায় ‘ইকোফিশ-২ বাংলাদেশ’’ প্রকল্প ওয়ার্ল্ডফিশ এর উদ্যোগে নিঝুম দ্বীপ সামুদ্রিক সংরক্ষিত এলাকায় সমাজ ভিত্তিক মৎস্য আহরণ মনিটরিং এর লক্ষ্যে ১০ জন সিটিজেন সায়েন্টিস্টদের মধ্যে দিনব্যাপী প্রশিক্ষন শেষে প্রত্যেককে মোবাইল সেট ও জিপিএস সেট বিতরন করা হয়েছে। বুধবার (২৮ জুলাই ) সকাল ১০টায় উপজেলার ইকোফিশ-২, চরফ্যাশন অফিসে ইউএসএআইডি এর অর্থায়নে এবং ওয়ার্ল্ডফিশ ও মৎস্য অধিদপ্তরের সহায়তায় ইকোফিশ-বাংলাদেশ প্রকল্পের আওতায় উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর,চরফ্যাশনের সম্মানিত জৈষ্ঠ্য মৎস্য কর্মকর্তা জনাব মারুফ হোসেন মিনার ।এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চর কুকরি মুকরি ইউনিয়নের সম্মানিত চেয়ারম্যান জনাব অধ্যক্ষ আবুল হাসেম মহাজন। ওয়ার্ল্ডফিশ বাংলাদেশ ও আইইউসিএন বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অর্থনৈতিক গুরুত্বসম্পন্ন মাছের অবস্থান ও উৎপাদন যথাযথভাবে নির্ণয়; বিপন্ন সামুদ্রিক জীব যেমন হাঙর, ডলফিন, শুশুক, সামুদ্রিক কচ্ছপ, শাপলাপাতা এর অবস্থান নির্ণয়ে তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে ও এদের সংরক্ষনে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সায়েন্টিস্টরা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবেন। তাছাড়া প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত সায়েন্টিস্টরা উন্নত প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে নিঝুম দ্বীপ সামুদ্রিক সংরক্ষিত এলাকার বর্তমান মৎস্য সম্পদের অবস্থান নির্ণয়ের মাধ্যমে দেশের মৎস্য সম্পদ ও অর্থনীতিকে শক্তিশালী করে তুলতে সহায়তা করতে পারবেন বলে অতিথিরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, ইউএসএআইডি ইকোফিশ-২ কার্যক্রমের আওতায় সাগরগামী প্রগতিশীল জেলেদের যথাযথ প্রশিক্ষনের মাধ্যমে ‘’সিটিজেন সায়েন্টিস্ট’’ হিসেবে গড়ে তোলা হয়। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সায়েন্টিস্টরা উপস্থিত সামুদ্রিক মৎস্য আহরণের প্রকৃত তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করেন যা বিশ্লেষণের মাধ্যমে সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের বর্তমান অবস্থা নির্ণয়ে ইকোফিশ-২ এর বিজ্ঞানিরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

এই বিভাগের সর্বশেষ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button