1. niloykhan1@gmail.com : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
  2. mdfarukhossain096@gmail.com : faruk khan : faruk khan
  3. Seikhlekhun321@gmail.com : room news : room news
  4. shahinurislam6246@gmail.com : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২২, ০৪:৪৬ অপরাহ্ন

আমার কথা না শুনলে ভারতে পাঠিয়ে দিব- আদিতমারীর ইউএনও

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২৩ জুলাই, ২০২১
  • ২৮৮ Time View

সুত্রে উওর বাংলা  নিউজ

লালমনিরহাট প্রতিনিধি: হিন্দু সম্প্রদায়ের কয়েকজন লোককে ভারতে পাঠিয়ে দেওয়ার হুমকির অভিযোগ উঠেছে লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুহাম্মদ মুনসুর উদ্দিনের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগি করুনা কান্ত রায় লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ জুলাই আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের কালীরহাট আশ্রয়ন-২ প্রকল্পে ১৬টি গৃহহীন পরিবারের জন্য বঙ্গবন্ধু পল্লীতে বৃষ্টির পানি জমে বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়ে। আশ্রায়ন প্রকল্পের পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন নির্মানের প্রয়োজন দেখা দেয়। এজন্য আদিতমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ মনসুর উদ্দিন নিজেই উপস্থিত থেকে আশ্রয়ন প্রকল্পের পাশে করুনা কান্ত রায়ের জমির মাঝ বরাবর পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন তৈরির কাজ শুরু করেন। করুনা কান্ত তার জমির মাঝ বরাবর ড্রেন নির্মানে বাঁধা দিয়ে বলেন, জমির মাঝ বরাবর দিয়ে ড্রেন না করে জমির এক পাশ দিয়ে ড্রেন নির্মান করেন তাতে আমার জমিটা ভাল থাকবে। এ সময় ওই এলাকার অমূল্য কুমার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ মুনসুর উদ্দিনকে পানি নিষ্কাশনের নালা জমির এক পাশ দিয়ে দিতে বলেন। যাতে করে ফসলি জমি নষ্ট না হয়।

এ কথা শোনার সাথে সাথেই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ মনসুর উদ্দিন উত্তেজিত হয়ে উঠেন এবং আদিতমারী থানায় ফোন করে ঘটনাস্থলে পুলিশ নিয়ে আসেন। আদিতমারী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে আসা মাত্র নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ মুনসুর উদ্দিন জমির মালিক করুনা কান্ত রায়সহ প্রতিবেশি সুনিল কুমার ও অমূল্য কুমারকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে বলেন, আমি এই উপজেলার মালিক, আমি ইউএনও মনসুর উদ্দিন বলছি, আমি এই উপজেলার মালিক। আমি যে সিদ্ধান্ত দিবো সেটাই সবাইকে মেনে নিতে হবে। এর পরেও যদি এখানে কেউ কথা বলার সাহস দেখায় তাহলে তাদের জমি খাস করে ভিটে মাটি থেকে উচ্ছেদ করে একেবারে ভারতে পাঠিয়ে দিব।

এ বিষয়ে আদিতমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ মনসুর উদ্দিনকে তার সেল ফোনে বার বার কল করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এমন কি তাকে মেসেজ করেও কোন উত্তর পাওয়া যায়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
স্ত্রীর মৃত্যু কারন জানতে স্বামীকে আটক; পুলিশ হেফাজতে স্বামীর মৃত্যু মিঠু মুরাদ, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যুর কারণ জানতে হিমাংশু রায় (৩৫) নামে এক স্বামীকে আটক করে পুলিশ , জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে একটি রুমে একা রাখলে ওয়াই-ফাইয়ের তার গলায় পেচিয়ে সে আত্নহত্যা করে বলে পুলিশের। শুক্রবার (০৭ জানুয়ারী) সন্ধ্যায় থানা পুলিশ হেফাজতে তার মৃত্যু হয়। এর আগে সকালে ওই উপজেলার ভেলাগুড়ি ইউনিয়নের পুর্ব কাদমার মালদাপাড়া থেকে ছবিতা রানী নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় তার স্বামী হিমাংশু রায়কে মৃত্যুর কারণ জানতে আটক করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। তবে এ মৃত্যু নিয়ে জনমতে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। হাতীবান্ধা থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) এরশাদুল আলম বলেন, ওই এলাকার বিশেশ্বর রায়ের পুত্র হিমাংশু রায়ের বাড়ীতে তার স্ত্রী ছবিতা রানী (৩০)’র মরদেহ দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ লাশ উদ্ধারসহ মৃত্যুর কারণ জানতে তার স্বামী হিমাংশু রায়কে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। হিমাংশুকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে থানার একটি রুমে একা রাখা হয়। সেই রুমে হিমাংশু রায় গলায় ওয়াই-ফাইয়ের তার গলায় পেচিয়ে আত্নহত্যার চেষ্টা করেন। পরে টের পেয়ে হিমাংশুকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন। এদিকে হিমাংশুর চাচা বিজেন্দ্র না রায় (৫৫) বলেন, সকাল বেলা হিমাংশুকে স্বাভাবিক অবস্থায় থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। সন্ধ্যার পর খবর মেডিকেলে আসি। তবে হিমাংশুর মৃত্যু নিয়ে তিনি কোন ধারণা দিতে পারেনি। হাতীবান্ধা উপজেলা আওয়ামিলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান লিয়াকত হোসেন বাচ্চু বলেন, খবর পেয়ে মেডিকেলে আসি। এসে হিমাংশুর গলার কালো দাগ দেখে মনে হচ্ছে সে আত্মহত্যা করেছে। হাতীবান্ধা হাসপাতালের আবাসিক অফিসার হিরনময় বম্মর্ণ সাগর বলেন হিমাংশু রায়কে হাসাপাতালে নিয়ে আসার আগে তার মৃত্যু হয়েছে।
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক দেশরত্ন.কম
Develper By ITSadik.Xyz