1. niloykhan1@gmail.com : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
  2. mdfarukhossain096@gmail.com : faruk khan : faruk khan
  3. Seikhlekhun321@gmail.com : room news : room news
  4. shahinurislam6246@gmail.com : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২২, ০৬:১২ অপরাহ্ন

কালীগঞ্জে ছেলের উপর হামলাকারীদের বিচারের দাবীতে বাবা-মায়ের সংবাদ সম্মেলন

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২২ জুলাই, ২০২১
  • ৭১ Time View
filter

লালমনিরহাট প্রতিনিধি।।

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের চাপারহাটে জেলা জর্জ কোর্টের (এপিপি) আহসান হাবীব সবুজকে হত্যার উদ্দেশ্যে নির্মমভাবে কুপিয়ে যখম কারী সকল আসামীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভিকটিমের পরিবার।

২২জুলাই বিকেলে কালিগঞ্জ উপজেলার চাপারহাট এলাকায় নিজস্ব বাস ভবনে সংবাদ সম্মেলন করেন এ্যাডভোকেট আহসান হাবীব সবুজের বাবা এবং মামলার বাদী মজির উদ্দিন আহম্মেদ।

মামলার অভিযোগসুত্রে জানা গেছে, গত বছরের ৮ অক্টোবর আহসান হাবীবের ভাতিজীর সাথে বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনাকে কেন্দ্র করে মামলার আসামী রাজা মিয়া, রাকিবুল ইসলাম রাকিব, আরিফুল ইসলাম কাজল, রেজাউল এবং ভাতিজী জামাই তৌহিদুর রহমান তুর্য্য হত্যার উদ্দেশ্যে দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জর্জ কোর্টের (এপিপি) আহসান হাবীবকে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়।

পরিবারের সদস্যগণ ও গ্রামবাসীরা গুরুতর আহত অবস্থায় আহসান হাবীব সবুজকে উদ্ধার করে কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার আশংকাজনক হওয়ায় জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিউট(NICVD) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার পর আহসান হাবীব সবুজের পিতা মোঃ মজির উদ্দিন আহম্মেদ রাজা মিয়াসহ পাঁচজনকে আসামি করে কালিগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন। (মামলা নং- ১২/৩১৪)

অভিযোগের ভিত্তিতে মামলার ৪ নং আসামি রেজাউলকে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ গ্রেফতার করলেও বাকি আসামীগণ জামিনে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

সংবাদ সম্মেলনে মামলার বাদী মজির উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, আমার ছেলে আহসান হাবীব সবুজকে হত্যার উদ্দেশ্যে যারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করেছে তাদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হউক।

তিনি আরও বলেন, আমার ছেলে এখন পঙ্গুপ্রায় জীবন-যাপন করছে, সেই হামলার পর তার হাতে অসংখ্য কাটাছেঁড়া ও সেলাই করা হয়েছে। তার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা যারা ধ্বংস করে দিয়েছে তাদেরকে আইনের আওয়াতায় এনে উপযুক্ত শাস্তি কামনা করছি।

হামলার শিকার এ্যাড আহসান হাবীব সবুজ বলেন, অভিযুক্ত আসামীরা আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমণ করে যখম করে পালিয়ে যান। আমার বাম হাতটি ধারালো অস্ত্রের কোপে বিকলঙ্গ হয়ে আছে।

ওই ঘটনার পর চিকিৎসা খরচ চালাতে গিয়ে আমার পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেছে। কাজকর্মে আগের অবস্থানে ফিরতে না পারায় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আমি অসহায়ত্ব হয়ে পড়েছি।

এ্যাডঃ আহসান হাবীব সবুজের মা রাহেলা বেগম কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমার ছেলেকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলাকারীরা এখনো ঘুরে বেড়াচ্ছে, তাদের গ্রেফতারের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য সাংবাদিকদের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
স্ত্রীর মৃত্যু কারন জানতে স্বামীকে আটক; পুলিশ হেফাজতে স্বামীর মৃত্যু মিঠু মুরাদ, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যুর কারণ জানতে হিমাংশু রায় (৩৫) নামে এক স্বামীকে আটক করে পুলিশ , জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে একটি রুমে একা রাখলে ওয়াই-ফাইয়ের তার গলায় পেচিয়ে সে আত্নহত্যা করে বলে পুলিশের। শুক্রবার (০৭ জানুয়ারী) সন্ধ্যায় থানা পুলিশ হেফাজতে তার মৃত্যু হয়। এর আগে সকালে ওই উপজেলার ভেলাগুড়ি ইউনিয়নের পুর্ব কাদমার মালদাপাড়া থেকে ছবিতা রানী নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় তার স্বামী হিমাংশু রায়কে মৃত্যুর কারণ জানতে আটক করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। তবে এ মৃত্যু নিয়ে জনমতে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। হাতীবান্ধা থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) এরশাদুল আলম বলেন, ওই এলাকার বিশেশ্বর রায়ের পুত্র হিমাংশু রায়ের বাড়ীতে তার স্ত্রী ছবিতা রানী (৩০)’র মরদেহ দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ লাশ উদ্ধারসহ মৃত্যুর কারণ জানতে তার স্বামী হিমাংশু রায়কে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। হিমাংশুকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে থানার একটি রুমে একা রাখা হয়। সেই রুমে হিমাংশু রায় গলায় ওয়াই-ফাইয়ের তার গলায় পেচিয়ে আত্নহত্যার চেষ্টা করেন। পরে টের পেয়ে হিমাংশুকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন। এদিকে হিমাংশুর চাচা বিজেন্দ্র না রায় (৫৫) বলেন, সকাল বেলা হিমাংশুকে স্বাভাবিক অবস্থায় থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। সন্ধ্যার পর খবর মেডিকেলে আসি। তবে হিমাংশুর মৃত্যু নিয়ে তিনি কোন ধারণা দিতে পারেনি। হাতীবান্ধা উপজেলা আওয়ামিলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান লিয়াকত হোসেন বাচ্চু বলেন, খবর পেয়ে মেডিকেলে আসি। এসে হিমাংশুর গলার কালো দাগ দেখে মনে হচ্ছে সে আত্মহত্যা করেছে। হাতীবান্ধা হাসপাতালের আবাসিক অফিসার হিরনময় বম্মর্ণ সাগর বলেন হিমাংশু রায়কে হাসাপাতালে নিয়ে আসার আগে তার মৃত্যু হয়েছে।
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক দেশরত্ন.কম
Develper By ITSadik.Xyz