1. niloykhan1@gmail.com : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
  2. mdfarukhossain096@gmail.com : faruk khan : faruk khan
  3. Seikhlekhun321@gmail.com : room news : room news
  4. shahinurislam6246@gmail.com : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২২, ০৫:০৪ অপরাহ্ন

একজন সফল ওসির কিছু কথা

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২২
  • ৭৫ Time View

তৈয়বুর রহমান(তুহিন)ভোলা প্রতিনিধি।

ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জনাব শাখাওয়াত হোসেন একজন সফল ওসি। তিনি দক্ষিণ আইচা থানায় যোগদানের পর থেকে নিজ যোগ্যতা আর দক্ষতার বলে দক্ষিণ আইচা সচেতন ও সাধারণ এলাকাবাসীর মন জয় করেছেন। সেই সাথে একজন সফল ওসি হিসেবে যত গুণাবলী প্রয়োজন তা তিনি দেখাতে সক্ষম হয়েছেন। দক্ষিণ আইচা থানায় যোগদানের পর থেকে থানা এলাকা থেকে টাউট-বাটপার ও দালালদের দৌরাত্ম বন্ধ হয়েছে। পুলিশী সেবা গ্রহীতাদের এখন আর দূর্ভোগ পোহাতে হয় না। মাদক, সন্ত্রাস এবং জঙ্গীবাদ বিরোধী অভিযানেও সফল হয়েছেন দক্ষিণ আইচা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাখাওয়াত হোসেন। তাকে সর্বাত্তক সহয়তা করে যাচ্ছেন ওসি (তদন্ত) মিলন কুমার ঘোষ সহ সকল অফিসার ও পুলিশ সদস্যরা। ধনী-গরীব সবার জন্য ওসির দরজা সব সময় উন্মোক্ত করেছেন তিনি। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসা, ডাকাতি, চুরি, ছিনতাইসহ সকল অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভুমিকা পালন করছেন ওসি শাখাওয়াত হোসেন। দক্ষিণ আইচা থানা এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলাপ কালে ওসি জনাব শাখাওয়াত হোসেন বলেন, মানুষের সেবা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করা আমার দায়িত্ব। ওসি হিসেবে যতদিন কর্মরত আছি, ততদিন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে নিরলস ভাবে আমার দায়িত্ব পালন করবো। যাতে করে মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে ও সস্থিতে থাকতে পারে। তিনি বলেন, আমি মানবতা ও মানবিক দৃষ্টিকোণ দিয়ে সকল সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই। কেউ যদি কোথাও সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসা, চুরি,ডাকাতি, চাঁদাবাজি, ছিনতাই করে আর সে ঘটনা যদি পুলিশকে জানানো হয় তাহলে তথ্য দাতার পরিচয় গোপন রেখে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়ে দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে। ওসি শাখাওয়াত হোসেন আরো বলেন, অপরাধ দমনের পাশাপাশি দক্ষিণ আইচা থানা এলাকাকে মাদক মুক্ত করার প্রত্যয়ে পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদকের সাথে জড়িতদের সমাজ থেকে নির্মুল করা হবে। মাদকের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স দেখানো হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাদকের সাথে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। ছাড় পাবে না নাশকতাকারীরাও। জঙ্গী, সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে পুলিশি অভিযান অব্যহত থাকবে। তিনি অপরাধ দমনে পুলিশকে সহযোগিতা করার জন্য সবার প্রতি আহবান জানান। এসময় তিনি বাংলাদেশ পুলিশের পোশাক পরিহীত কারো সাথে কেউ যদি ব্যবহার খারাপ করে সে যত বড় নেতাই হউক না কেন উচিৎ জবাব দেওয়া হবে। আমার অধিনস্থ কোন অফিসার বা সদস্য কোন অপকর্ম করছে বলে প্রমানিত হলে আমাকে জানালে উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরো বলেন, আমি ২০২১ সালের অক্টোবর মাসে দক্ষিণ আইচা থানায় যোগদান করেছি, ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছি। পূর্বের যে কোন সময়য়ের চেয়ে দক্ষিণ আইচা অপরাধ প্রবনতা কমে গেছে, এটা আমাদের বিরাট সাফল্য।

তৈয়্যবুর রহমান(তুহিন) চরফ্যাশন ভোলা প্রতিনিধি।০১৭৬৪৪৪৪৪৯৪

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
স্ত্রীর মৃত্যু কারন জানতে স্বামীকে আটক; পুলিশ হেফাজতে স্বামীর মৃত্যু মিঠু মুরাদ, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যুর কারণ জানতে হিমাংশু রায় (৩৫) নামে এক স্বামীকে আটক করে পুলিশ , জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে একটি রুমে একা রাখলে ওয়াই-ফাইয়ের তার গলায় পেচিয়ে সে আত্নহত্যা করে বলে পুলিশের। শুক্রবার (০৭ জানুয়ারী) সন্ধ্যায় থানা পুলিশ হেফাজতে তার মৃত্যু হয়। এর আগে সকালে ওই উপজেলার ভেলাগুড়ি ইউনিয়নের পুর্ব কাদমার মালদাপাড়া থেকে ছবিতা রানী নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় তার স্বামী হিমাংশু রায়কে মৃত্যুর কারণ জানতে আটক করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। তবে এ মৃত্যু নিয়ে জনমতে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। হাতীবান্ধা থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) এরশাদুল আলম বলেন, ওই এলাকার বিশেশ্বর রায়ের পুত্র হিমাংশু রায়ের বাড়ীতে তার স্ত্রী ছবিতা রানী (৩০)’র মরদেহ দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ লাশ উদ্ধারসহ মৃত্যুর কারণ জানতে তার স্বামী হিমাংশু রায়কে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। হিমাংশুকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে থানার একটি রুমে একা রাখা হয়। সেই রুমে হিমাংশু রায় গলায় ওয়াই-ফাইয়ের তার গলায় পেচিয়ে আত্নহত্যার চেষ্টা করেন। পরে টের পেয়ে হিমাংশুকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন। এদিকে হিমাংশুর চাচা বিজেন্দ্র না রায় (৫৫) বলেন, সকাল বেলা হিমাংশুকে স্বাভাবিক অবস্থায় থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। সন্ধ্যার পর খবর মেডিকেলে আসি। তবে হিমাংশুর মৃত্যু নিয়ে তিনি কোন ধারণা দিতে পারেনি। হাতীবান্ধা উপজেলা আওয়ামিলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান লিয়াকত হোসেন বাচ্চু বলেন, খবর পেয়ে মেডিকেলে আসি। এসে হিমাংশুর গলার কালো দাগ দেখে মনে হচ্ছে সে আত্মহত্যা করেছে। হাতীবান্ধা হাসপাতালের আবাসিক অফিসার হিরনময় বম্মর্ণ সাগর বলেন হিমাংশু রায়কে হাসাপাতালে নিয়ে আসার আগে তার মৃত্যু হয়েছে।
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক দেশরত্ন.কম
Develper By ITSadik.Xyz