1. niloykhan1@gmail.com : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
  2. mdfarukhossain096@gmail.com : faruk khan : faruk khan
  3. Seikhlekhun321@gmail.com : room news : room news
  4. shahinurislam6246@gmail.com : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
বুধবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন

একটি ঘরের অভাবে বিয়ে করতে পারছে না খর্বাকার খোরশেদ!

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২১
  • ০ Time View

@বিয়ের বয়স অনেক আগেই পেরিয়ে গেছে, ছোট ভাই-বোনেদের বাচ্চারা প্রাইমারী স্কুলের গন্ডি পেরিয়ে হাই স্কুলে পড়ে। তবুও একটি থাকার ঘরের অভাবে ৩৭ বছর বয়সি ৩ ফুট ১০ ইঞ্চি উচ্চতার খর্বাকার (রংপুরের আঞ্চলিক ভাষায় বোন মানুষ/বামন) খোরশেদ বিয়ে করতে পারছেনা। হাটে-বাজারে কিংবা পথে ঘাটে সবাই তাকে বিয়ে না করার জন্য বিভিন্ন ভাবে ঠাট্টা বিদ্রুপ করলেও পাশ কেটে চলে যায় সে, লোক চক্ষুর আড়ালে একবুক দীর্ঘশ্বাস ফেলে শুধুমাত্র বিচার জানায় মহান আল্লাহ রব্বুল আলামিনের দরবারে। ছোট বেলায় দি রওশন সাকার্সসহ বিভিন্ন সার্কাস পার্টি তাকে জোঁকার হওয়ার জন্য ডাকলেও তার ধর্মভীরু গরীব বাবা-মা মহান রবকে ভয় করে ভর্তি করিয়ে দেন পাশ্ববর্তি হাফিজিয়া মাদ্রাসায়, সেখানে সে প্রায় সতের পারা পর্যন্ত মুখস্ত করলেও দারিদ্র্যতার কারনে পূর্ণ হাফেজ হতে পারেনি। বর্তমানে সে ২/৩ পারা মুখস্ত বলেতে পারে। সে এখনো নিয়মিত নামাজ পড়ে এবং পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করে। এক সময় একটি মসজিদে মোয়াজ্জিন ও খাদেমের চাকুরী করলেও বিয়ে না করার জন্য তার চাকুরী চলে যায়। খোরশেদ খর্বাকার হওয়ায় কঠিন কাজ করতে অক্ষম। এদিকে ভিক্ষা পেশাকে প্রচন্ড ঘৃনা করে সে। সকলের পরামর্শে কালীগঞ্জ বাজারে সারা বছর ধুনিয়াতা ও বিভিন্ন ধরনের শাক পাতা বিক্রি করে অতি কষ্টে তার মা সহ জীবনযাপন করে। দীর্ঘ দিনেও তার পক্ষে একটি ঘর তোলার মত অর্থ জোগার করা সম্ভব হয়নি। তাই বারবার বিয়ের সম্বন্ধ আসার পরেও তার পক্ষে বিয়ে করাও সম্ভব হয়নি তার। উল্লেখ থাকে যে, কালীগঞ্জ বাজারসহ বেশ কয়েকটি বাজারে বোনগাটিয়া ধুনিয়া শাক বিক্রেতা নামে সবাই চিনে তাকে।

সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায়, তের বছর আগে পিতৃহারা ভূমিহীন খোরশেদ লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলাধীন জামিরবাড়ী আশ্রয়ন প্রকল্পের তার মায়ের ঘরে থাকে। প্রতিমাসে প্রতিবন্ধী ভাতা হিসেবে ৭৫০ টাকা পায়। আর টুকটাক ধুনিয়া পাতা বিক্রি করে জীবন ধারন করে। তার মা কান্না জড়িত কন্ঠে জানালো “কাং যদি উয়াক একনা ঘরের ব্যবস্থা করি দিল হায় তাইলে ছোয়া কোনাক একনা বিয়াও দিবার পানুং হায়।” (শুদ্ধ ভাষায়: কেউ তার জন্য একটি ঘরের ব্যবস্থা করে দিলে তার বিয়ে দিতে পারতো।) ঐ এলাকার ঢাংগা আমিনুর বলেছে অসালী নামের এক বিধবা মহিলা তাকে ঘর তোলার মত জায়গা দিতে চেয়েছে, অনেক চেষ্টা করেছি কিন্তু ঘর তোলার কোন ব্যবস্থা করতে পারি নাই। প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর বিষয়ে জানতে চাইলে ঐ এলাকার আব্দুল ওহাব বাবলু মাষ্টার জানিয়েছেন ৫০/৬০ হাজার টাকা ছাড়া নেতাদের সাথে কথায় বলা যায় না। সমাজ সেবা অধিদপ্তরে যোগাযোগ করলে তারা বলেছে, যারা প্রতিবন্ধি ভাতা পায় সে ঘর পাবে না। কারন একজন ব্যক্তি একসাথে দুইটি সুবিধা ভোগ করতে পারবে না।

আমরা কি পারিনা মানুষ্য বিবেককে জাগ্রত করে ৩৭ বছর বয়সি খর্বাকার খোরশেদের জন্য প্রধান মন্ত্রীর উপহারের একটি ঘরের ব্যবস্থা করতে? অথবা কোন সুহৃদয়বান ব্যক্তি কিংবা কোন প্রতিষ্ঠান তার জন্য একটি ঘরের ব্যবস্থা করতে এগিয়ে আসুক সেই প্রত্যাশা করছি।
(প্রতিবেদন প্রকাশের তারিখ-২৮.১০.২০২১ ইং)

বিভিন্ন তথ্যের প্রয়োজনে
আমি নিজেই মোঃ সাজেদুল ইসলাম সাজু
মোবাইলঃ 01842-191277
ইমেইল: sazadul.bd@gmail.com
আব্দুল ওহাব বাবলু মাষ্টার
মোবাইলঃ 01735-882813

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক দেশরত্ন.কম
Develper By ITSadik.Xyz