1. niloykhan1@gmail.com : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
  2. mdfarukhossain096@gmail.com : faruk khan : faruk khan
  3. Seikhlekhun321@gmail.com : room news : room news
  4. shahinurislam6246@gmail.com : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ১০:১৯ অপরাহ্ন

নবযুক্ত এজিএম এর প্রচেষ্টায় দালাল মুক্ত হলো দক্ষিণ আইচা পল্লী বিদ্যুৎ অফিস

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২১
  • ৪৭ Time View

চরফ্যাশন প্রতিনিধি :

ভোলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অন্তর্ভুক্ত দক্ষিণ আইচা পল্লী বিদ্যুত সাব জোনাল অফিস চালু হওয়ার এক বছর পর শুরু হয়েছে দালাল উচ্ছেদ অভিযান।

দালাল মুক্ত পরিবেশ সৃস্টি হলেও কর্তৃপক্ষ রয়েছেন নানা ধরনের চাপে। গ্রাহক হয়রানী ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করছেন সদ্য যোগদানকারী এজিএম (ও এন্ড এম)জনাব মিজানুর রহমান ।

সকল শ্রেণীর গ্রাহকদের সেবা দেওয়া হচ্ছে সমানভাবে। গ্রাহক কর্তৃক অভিযোগ পাওয়া মাত্রই “ আলোর গেরিলা টীম” তা সমাধান করছেন দ্রুত।

সুত্র জানায়,দক্ষিণ আইচা পল্লী বিদ্যুৎ অফিস চালু হওয়ার পর থেকে স্থানীয় ইলেকট্রিশিয়ান ও স্থানীয় দালাল সিন্ডিকেটের রেগুলার আনাগোনা ছিল অফিসের মধ্যে, বিষয়টি উপর মহলে জানাজানি হওয়ার পরে উপরমহল থেকে প্রথম অফিস চালুকৃত এজিএম(ও এন্ড এম)
নাসিমুজ্জামান,ওয়ারিং ইন্সপেক্টর উত্তম কুমার দাসকে,গত অক্টোবর মাসের ৩০ তারিখে বদলির সুপারিশ করেন।

এব্যাপারে স্থানীয় পল্লীবিদ্যুৎ সমিতিরি গ্রাহকরা জানান, অতীতের যে কোন সময়ের তুলনায় বর্তমানে দক্ষিণ আইচা পল্লী বিদ্যুতের সেবার মান ভাল ও প্রশংসার দাবিদার। বর্তমান অফিস প্রধান মিজানুর রহমান যোগদান করার পর থেকে গ্রাহক হয়রানী ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করছেন।

দক্ষিণ আইচা পল্লী বিদ্যুত সমিতির এজিএম (ও এন্ড এম)জনাব মিজানুর রহমান জানান,কর্তৃপক্ষের নির্দেশে বর্তমানে দক্ষিণ আইচা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসেকে দালালমুক্ত করা হয়েছে। সেইসাথে গ্রাহক হয়রানী ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করা হয়েছে। যে কোন মূল্যে এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
স্ত্রীর মৃত্যু কারন জানতে স্বামীকে আটক; পুলিশ হেফাজতে স্বামীর মৃত্যু মিঠু মুরাদ, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যুর কারণ জানতে হিমাংশু রায় (৩৫) নামে এক স্বামীকে আটক করে পুলিশ , জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে একটি রুমে একা রাখলে ওয়াই-ফাইয়ের তার গলায় পেচিয়ে সে আত্নহত্যা করে বলে পুলিশের। শুক্রবার (০৭ জানুয়ারী) সন্ধ্যায় থানা পুলিশ হেফাজতে তার মৃত্যু হয়। এর আগে সকালে ওই উপজেলার ভেলাগুড়ি ইউনিয়নের পুর্ব কাদমার মালদাপাড়া থেকে ছবিতা রানী নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় তার স্বামী হিমাংশু রায়কে মৃত্যুর কারণ জানতে আটক করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। তবে এ মৃত্যু নিয়ে জনমতে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। হাতীবান্ধা থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) এরশাদুল আলম বলেন, ওই এলাকার বিশেশ্বর রায়ের পুত্র হিমাংশু রায়ের বাড়ীতে তার স্ত্রী ছবিতা রানী (৩০)’র মরদেহ দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ লাশ উদ্ধারসহ মৃত্যুর কারণ জানতে তার স্বামী হিমাংশু রায়কে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। হিমাংশুকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে থানার একটি রুমে একা রাখা হয়। সেই রুমে হিমাংশু রায় গলায় ওয়াই-ফাইয়ের তার গলায় পেচিয়ে আত্নহত্যার চেষ্টা করেন। পরে টের পেয়ে হিমাংশুকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন। এদিকে হিমাংশুর চাচা বিজেন্দ্র না রায় (৫৫) বলেন, সকাল বেলা হিমাংশুকে স্বাভাবিক অবস্থায় থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। সন্ধ্যার পর খবর মেডিকেলে আসি। তবে হিমাংশুর মৃত্যু নিয়ে তিনি কোন ধারণা দিতে পারেনি। হাতীবান্ধা উপজেলা আওয়ামিলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান লিয়াকত হোসেন বাচ্চু বলেন, খবর পেয়ে মেডিকেলে আসি। এসে হিমাংশুর গলার কালো দাগ দেখে মনে হচ্ছে সে আত্মহত্যা করেছে। হাতীবান্ধা হাসপাতালের আবাসিক অফিসার হিরনময় বম্মর্ণ সাগর বলেন হিমাংশু রায়কে হাসাপাতালে নিয়ে আসার আগে তার মৃত্যু হয়েছে।
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক দেশরত্ন.কম
Develper By ITSadik.Xyz