ভোলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে জামায়াত-শিবিরের ক্যাডার কেন?

ভোলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে জামায়াত-শিবিরের ক্যাডার কেন?

বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের অধীনস্থল ভোলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি থেকে 2015 সালে সাবেক জেনারেল ম্যানেজার কেফায়েত উল্লার নেতৃত্বাধীন ভোলা পল্লী বিদ্যুৎ এর জন্য শূন্যপদে ইলেকট্রিশিয়ান এর নিয়োগ সার্কুলার দেন। উক্ত শূন্য পদে আবেদন করেন সকল উপজেলা ৩০ জন শ্রমিক,এসময় দক্ষিণ আইচা থানা এলাকা থেকে আবেদন করেন রাষ্ট্রবিরোধী সংগঠন জামাত ইসলামের তৎকালীন ও বর্তমান দক্ষিণ আইচা থানা সভাপতি জিয়াউল হক মাওলানার ছেলে উক্ত কমিটির সদস্য, মাকসুদুর রহমান বাচ্চু।আবেদন প্রক্রিয়া শেষে, এদের মধ্য থেকে পরীক্ষায় ইলেকট্রিশিয়ান পদে উত্তীর্ণ হন ৮ জন এর মধ্যে থেকেই রাষ্ট্রবিরোধী সংগঠন বিএনপি জামায়াত-শিবিরের কর্মী মাকসুদুর রহমান বাচ্চু,চরফ্যাশন জোনাল অফিসের ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে একটি ছাড়পত্র হাতে দেন সাবেক জেনারেল ম্যানেজার কেফায়েউল্লাহ ।

ভোলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি থেকে কাজ করার একটি ছাড়পত্র হাতে পাওয়ার পর থেকে মাসুদুর রহমান বাচ্চু, অবৈধভাবে মিটার পাশ করা থেকে শুরু করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বিনামূল্যের বিদ্যুৎ সংযোগ অবৈধভাবে খুঁটি দিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে এখন সে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। এবং রয়েছে তার ২টি ব্যাংক একাউন্ট। বর্তমান ভোলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অন্তর্ভুক্ত দক্ষিণ আইচা সাব জোনাল অফিসের ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে কাজ করেন বিএনপি-জামাতের ক্যাডার মাকসুদুর রহমান বাচ্চু।এ বিষয়ে স্থানীয় ইলেকট্রিশিয়ানরা বলেন মাকসুদুর রহমান বাচ্চু জামাত-শিবির লোক হয়ে অবৈধভাবে লক্ষ লক্ষ টাকার মালিক হয়েছেন। আর আমরা সঠিকভাবে কাজ করে বাড়িতে চাল কেনার মত টাকা বানাতে পারেনি।বিষয়টি বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের মাননীয় চেয়ারম্যান মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। রাষ্ট্রবিরোধী সংগঠন জামায়াতে ইসলামীর কর্মী বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের অধীস্থল কোন অফিসে থাকতে পারবে না।

এই বিভাগের সর্বশেষ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button