1. niloykhan1@gmail.com : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
  2. mdfarukhossain096@gmail.com : faruk khan : faruk khan
  3. Seikhlekhun321@gmail.com : room news : room news
  4. shahinurislam6246@gmail.com : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ১০:০৭ অপরাহ্ন

প্রথম পর্ব – লালমনিরহাটে ব্যবসায়ী হয়রানী রেলওয়ের বিভাগীয় ভূ- সম্পত্তি কর্মকর্তা পুর্ণেন্দু দেব এর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৪২ Time View

লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ।
লালমনিরহাটে ব্যবসায়ী হয়রানীর স্বীকার। বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা পূর্ণেন্দু দেব এর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
লিখিত অভিযোগ ও মামলার বিবরন সূএে জানা গেছে, লালমনিরহাট শহরের বিডিআর রোডস্ত বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ব্যবসায়ী শরিফ মোঃআতাউল্লা সরকার প্রায় ২৫ বছর থেকে রেলওয়ের সমস্ত শর্ত্ব পূরন করে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছেন। কিন্ত হঠাৎ করে রেলওয়ের ওই বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা পূর্ণেন্দু দেব বিপুল অংকের উৎকোচের টাকার বিনিময়ে একই দাগের ঘ/১ ৩৯/৪০=৪০০ ফুট ও ঘ/২ ১৫×৫০=৭৫০ ফুট রেলওয়ের জায়গা অপর এক আবুল কাশেম নামের এক ব্যবসায়ীর নামে ১৮ বছরের লিজ দেখিয়ে এবং গত ১/৭/২০১৫ইং থেকে গত ৩০/৬/২০১৮ইং সালের ৬ হাজার ৩ শত টাকা এবং ঘ/২ ১৫×৫০=৭৫০ ফুট জমির বানিজ্যিক হিসেবে ব্যবহার বাবদ লাইসেন্স ফি ওই ব্যবসায়ীর নিকট গ্রহণ করা হয়েছে। যার রশিদ নং ২৯৩৩৪২। উক্ত জমি আবুল কাশেম ওই রেলওয়ের কর্মকর্তার সাথে যোগসাজস করে ৩০০ ফুটের জায়গায় কিভাবে ১৭০০ বর্গফুটের
লাইসেন্স (লিজ) ফি ২০০০সাল থেকে ২০১৮ ইং সাল পর্যন্ত হঠাৎ এককালীন মোট ১৮ বছরের জন্য লিজ বাবদ ফি গ্রহন করেছেন। বিষয়টি রহস্য জনক! একই জমি পূর্বের লিজ গ্রহণকারী শরিফ এর সাথে চিটিং বাজী ও প্রতারনার মাধ্যমে রেলওয়ের নীতিমালা ভঙ্গ করে আবুল কাশেম এর নামে হঠাৎ লিজ দেয়ার বিষয়টি লালমনিরহাট ব্যবসায়ী মহলে তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। ব্যবসায়ী শরিফের কাগজপএ মূলে দেখা যায় তিনি বাংলাদেশ রেলওয়ের সমস্ত শত্ব পূরন করে প্রায় ২৫ বছর ধরে ওই লিজ কৃত জায়গায় ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। অপরদিকে ব্যবসায়ী শরিফ ২৫ বছর থেকে রেলওয়ে কে নিয়মিত খাজনা দিয়ে আসলেও হয়রানীর যেন শেষ নেই। রেলওয়ের ওই কর্মকর্তা ও আবুল কাশেমের অবৈধ কার্মকান্ড জানতে পেয়ে ব্যবসায়ী শরিফ তার লিজ কৃত রেলওয়ের দেয়া সমস্ত ডকুমেন্টস দিয়ে গত ১২/৪/২০১৪ ইং তারিখ কথিত লিজ গ্রহীতা আবুল কাশেম কে বিবাদী করে ব্যবসায়ী শরিফ মোঃ আতাউল্লা সরকার বাদী হয়ে বিজ্ঞ যুগ্ন জেলা জজ ২য় লালমনিরহাটের আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। যার অন্য- ১৬/১৪ (২য়)। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে অস্হায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। ওই জমি নিয়ে আদালতে মামলা বিচারাধীন থাকলেও রেলওয়ের ওই কর্মকর্তা পূর্ণেন্দু দেব অনিয়ম ও দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে একের পর এক ব্যবসা- প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদের নোটিশ জারি করে হয়রানী করে আসছেন। এদিকে বৈধ কাগজপএ মূলে লিজ গ্রহীতা লালমনিরহাট শহরের সুনামধন্য ব্যবসায়ী শরিফ তার সমস্ত ডকুমেন্টস এর কপি সাংবাদিকদের নিকট সরবরাহ করে তিনি বস্ত- নিষ্ট সংবাদ প্রচার ও হয়রানী থেকে মুক্তির জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। উল্লেখ যে, অভিযোগ উঠেছে, রেলওয়ের ওই বিভাগীয় ভূ – সম্পত্তি কর্মকর্তা পূর্ণেন্দু দেব লালমনিরহাটে যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন ব্যবসায়ী কে উচ্ছেদের নামে বিভিন্ন ভাবে হয়রানী করে আসছেন। এ ব্যাপারে ওই কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
ছবিঃ-ক্যাপশনঃ- হয়রানীর স্বীকার ব্যবসায়ী শরিফ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
স্ত্রীর মৃত্যু কারন জানতে স্বামীকে আটক; পুলিশ হেফাজতে স্বামীর মৃত্যু মিঠু মুরাদ, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যুর কারণ জানতে হিমাংশু রায় (৩৫) নামে এক স্বামীকে আটক করে পুলিশ , জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে একটি রুমে একা রাখলে ওয়াই-ফাইয়ের তার গলায় পেচিয়ে সে আত্নহত্যা করে বলে পুলিশের। শুক্রবার (০৭ জানুয়ারী) সন্ধ্যায় থানা পুলিশ হেফাজতে তার মৃত্যু হয়। এর আগে সকালে ওই উপজেলার ভেলাগুড়ি ইউনিয়নের পুর্ব কাদমার মালদাপাড়া থেকে ছবিতা রানী নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় তার স্বামী হিমাংশু রায়কে মৃত্যুর কারণ জানতে আটক করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। তবে এ মৃত্যু নিয়ে জনমতে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। হাতীবান্ধা থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) এরশাদুল আলম বলেন, ওই এলাকার বিশেশ্বর রায়ের পুত্র হিমাংশু রায়ের বাড়ীতে তার স্ত্রী ছবিতা রানী (৩০)’র মরদেহ দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ লাশ উদ্ধারসহ মৃত্যুর কারণ জানতে তার স্বামী হিমাংশু রায়কে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। হিমাংশুকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে থানার একটি রুমে একা রাখা হয়। সেই রুমে হিমাংশু রায় গলায় ওয়াই-ফাইয়ের তার গলায় পেচিয়ে আত্নহত্যার চেষ্টা করেন। পরে টের পেয়ে হিমাংশুকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন। এদিকে হিমাংশুর চাচা বিজেন্দ্র না রায় (৫৫) বলেন, সকাল বেলা হিমাংশুকে স্বাভাবিক অবস্থায় থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। সন্ধ্যার পর খবর মেডিকেলে আসি। তবে হিমাংশুর মৃত্যু নিয়ে তিনি কোন ধারণা দিতে পারেনি। হাতীবান্ধা উপজেলা আওয়ামিলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান লিয়াকত হোসেন বাচ্চু বলেন, খবর পেয়ে মেডিকেলে আসি। এসে হিমাংশুর গলার কালো দাগ দেখে মনে হচ্ছে সে আত্মহত্যা করেছে। হাতীবান্ধা হাসপাতালের আবাসিক অফিসার হিরনময় বম্মর্ণ সাগর বলেন হিমাংশু রায়কে হাসাপাতালে নিয়ে আসার আগে তার মৃত্যু হয়েছে।
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক দেশরত্ন.কম
Develper By ITSadik.Xyz