লালমনিরহাটের দলগ্রাম ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে নতুন মুখ “তারিকুল তুষার”

লালমনিরহাটের দলগ্রাম ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে নতুন মুখ "তারিকুল তুষার"

জেলা প্রতিনিধিঃ

আগামী ইউপি নির্বাচনে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার দলগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নতুন মুখ হয়ে আসছেন তরুন প্রজন্মের প্রার্থী মো.তারিকুল ইসলাম তুষার।তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী।

তিনি দলগ্রাম ইউনিয়নের তালুক মদাতী গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত শিক্ষিত পরিবারের সন্তান।

তার দাদা তোফায়েল উদ্দিন আহমেদ ছিলেন একজন শিক্ষক।তার পিতা তৌহিদুল ইসলাম, সোনালী ব্যাংক ম্যানেজার(অবসর প্রাপ্ত) ও মাতা এসমত আরা বেগমের ৩ সন্তানের মধ্যে সবার বড় তিনি।

ইতোমধ্যে প্রার্থীতার জানান দিতে ইউনিয়নবাসীর নিকট দোয়া প্রার্থনা করেছেন তিনি ও তাঁর সমর্থকরা। দেশব্যাপী যখন তারুণ্যের জয়গান তখন এখানেও তরুণ প্রার্থীর পক্ষে ব্যাপক সাড়া মিলবে বলে নতুন মুখ নিয়ে ইউনিয়নটির সর্বত্রই চলছে আলোচনাও। বিভিন্ন সময় অসহায়,শীতার্ত, দু:স্থ ও অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো তরুণ প্রজন্মের এ প্রার্থী বেশি আলোচনায় আসেন করোনাকালে।

এ সময় মানুষের বাড়িতে বাড়িতে খাবার সামগ্রীসহ কিছু কিছু মানুষের হাতে হাতে পৌঁছে দেন করোনা সচেতনতার লিফলেট ও মাস্ক। জাতীয় দৈনিক সবুজ নিশানের সাথে আলাপকালে উঠে আসে আগামিতে তাঁর প্রার্থী হতে চাওয়ার নানা কারন।

তিনি বলেন, আমি আমার ছাত্র জীবন থেকেই প্রগতিশীল চিন্তার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।পুরনো ধ্যান-ধারণা নয় প্রয়োজন পরিবর্তন এবং নতুন ও পুরনোর যৌক্তিক সংমিশ্রণ ঘটানো। শিক্ষিত, মেধাবী ও যোগ্য তরুণদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে পরিবর্তন আসবে উন্নয়ন কর্মকান্ডে,বাড়বে উদ্দীপনাও। তিনি চান দক্ষ নেতৃত্ব নির্ভর একটি ইউনিয়ন যেখানে কেউ কারো প্রতিপক্ষ না হয়ে কাঁধে কাঁধ রেখে জনগণনকে নিয়ে ইউনিয়নের পরিবর্তনে অংশ নেবে। চান তরুণ ও যুবকদের সঙ্গে নিয়ে তাঁদের জন্য আলাদাভাবে কাজ করতে যাতে সমাজ মাদক ও বেকারত্ব থেকে মুক্তিপায় এবং সৃষ্টি হয় কর্ম সংস্থানের।

তিনি বলেন,’ আমরা যাদের হেভিওয়েট বলি তাঁরা তো একদিনেই তা হননি। শুরুতে তারাও নতুন ও তরুণ ছিলেন। তাই তরুণ প্রার্থী হয়েই জনসেবায় চমক নিয়ে আসতে চাই ‘। বিশেষ করে তিনি স্বপ্ন দেখেন এলাকাটির মানুষ সমৃদ্ধির পথে আরেক ধাপ এগিয়ে যাক। আলো ছড়িয়ে পড়ুক দলগ্রাম ইউনিয়নে।সমৃদ্ধ ইউনিয়ন গড়ার পথে যত কষ্টই হোক তিনি থাকতে চান দলগ্রাম ইউনিয়ন বাসীর পাশে।

তিনি বলেন, যতটুকু সামাজিক কাজ করেছি, সেটুকু যথেষ্ট নয় আরো বড় পরিসরে কাজ করার সুযোগ খুঁজেছি সব সময়। আমার নির্বাচনে আসতে চাওয়ার এটাও একটি বড় কারন। কোনো ব্যক্তি বা কোনো দলকে আঘাত করার জন্য আমি নির্বাচনে আসছি না। যে যার আদর্শ নিয়ে সুন্দর জীবন যাপন করবে, পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধে সহনশীল ও সহযোগীতাপূর্ণ রাজনৈতিক সংস্কৃতি বিরাজ করবে, সেটিই আমার চাওয়া। নির্বাচনে এসে জয়ী হতে পারলে জনগণের সমস্যাগুলো কিভাবে দ্রুত সমাধান করা যায় সে ব্যাপারে কাজ করব।

এলাকার মানুষ বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম চায় আমি নির্বাচনে অংশ নিই। তাদের ইচ্ছার প্রতি সম্মান দেখাতে নির্বাচনে অংশ নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং তরুণ সমাজ এ ব্যাপারে এলাকায় কাজও করে যাচ্ছে।নির্বাচিত হলে নিজেকে ক্ষমতাবানের পরিবর্তে দায়ীত্ববান এবং শাসক প্রতিনিধি না হয়ে সেবক হিসেবে কাজ করে দলগ্রাম ইউনিয়ন কে একটি মডেল ইউনিয়ন গড়ার প্রয়াস চালাতে চান তিনি।

এই বিভাগের সর্বশেষ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button