জলঢাকা পৌরসভাকে আধুনিক ও মডেল পৌরসভা গড়ে তুলতে চান মেয়র বাবলু

জলঢাকা পৌরসভাকে আধুনিক ও মডেল পৌরসভা গড়ে তুলতে চান মেয়র বাবলু

হাসানুজ্জামান সিদ্দিকী হাসান

জলঢাকা (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ

মানুষের ভালোবাসা পেয়ে দ্বিতীয় বারের মতো নীলফামারীর জলঢাকা পৌরসভার মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হয়েছি। পৌরবাসীর ভালোবাসা ও সহযোগিতা নিয়ে আমি আগামী দিনগুলো এগিয়ে যেতে চাই।

তাই আমি জলঢাকা পৌরসভাকে ‘ ক’ শ্রেনীতে উন্নিত করন সহ আধুনিক ও মডেল পৌরসভা হিসাবে গড়ে তুলতে সরকার সহ সকলের সহযোগিতায় প্রয়োজন।

নাগরিক সুবিধা বঞ্চিত এ পৌর সভায় যখন প্রথমবার মেয়র নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব নিয়েছিলাম তখন থেকেই জলঢাকা পৌরসভাকে মডেল পৌরসভা গড়ে তোলার চেষ্টা করেছি, ও “গ ‘ শ্রেনী থেকে “খ’ শ্রেনীতে উন্নীত করা সহ অনেক উন্নয়ন কাজ করেছি, এবং বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহন করেছিলাম।

এবার যখন নির্বাচিত হয়েছি তখন চেষ্টা করবো ” ক’ শ্রেনীতে উন্নীত করা সহ আধুনিক ও মডেল পৌরসভা নির্মাণ করতে ।

কিন্তু আমি বলতে চাই আধুনিক হোক আর ডিজিটাল হোক সবধরনের নাগরিক সুবিধা সহ দুর্নীতি,মাদক,বাল্য বিবাহ ও যানজট মুক্ত একটি পৌরসভা গড়ে তোলাই হবে হবে আমার প্রথম ও প্রধান কাজ। এজন্য সরকার সহ সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।

এ প্রতিনিধির সাথে আলাপ কালে উপরোক্ত কথা গুলো বলেন,নীলফামারীর জলঢাকা পৌরসভার নির্বাচিত মেয়র ইলিয়াস হোসেন বাবলু।

তিনি তার বর্তমান সময়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আরো বলেন,নির্বাচনের আগে মেয়র প্রার্থীরা অনেকে অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকি। আর ভোটে নির্বাচিত হলে ও না হলে জনগনের সাথে দেখা তো দূরের কথা খবর পর্যন্ত নেই না। সেই কালচার থেকে বেরিয়ে এসে জনগনের সাথে থাকতে চাই।

এ-র আগে মানুষ মেয়রের সাক্ষাৎ, একটি স্বাক্ষর ও নাগরিক সুবিধার জন্য এসে অপেক্ষা করতে হত দিনের পর দিন।

আমি জনগণের সেই কষ্ট দুর করে নাগরিক সুযোগ সুবিধা সহ আধুনিক পরিচ্ছন্ন ও মডেল পৌরসভা গড়ে তুলতে কাজ শুরু করেছি।

মেয়র বলেন,পৌরশহরকে দূর্গন্ধমুক্ত,ও পরিচ্ছন্ন রাখতে কৈমারী রোড সংলগ্ন কসাইখানা অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া হবে এবং শহরের ভিতরে জমে থাকা বর্জ্যগুলো ইতিমধ্যে শহরের বাইরে ফেলার শুরু হয়েছে।

মেয়র বাবলু বলেন,আমি স্কুল জীবন থেকেই মাদক ও জুয়ার কিরুদ্ধে ছিলাম আছি ও থাকবো ।

২০১১ সালে আমি প্রথমবার মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর পৌরসভাকে খ শ্রেণিতে উন্নীত করেছি। ,পৌরশহরের জলাবদ্ধতা নিরসন ও জনগনের চলাচলে ফুটপাত ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার কাজ অব্যাহত থাকবে।

বর্তমানে তিনি জলঢাকা উপজেলা কৃষকলীগের সহ-সভাপতি, বনিক সমিতি ও বাজার কেন্দ্রীয় মসজিদের সভাপতি ও জেলা বাস মালিক সমিতির সহ সভাপতি।

ইলিয়াস হোসেন বাবলু মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে জলঢাকা উপজেলা আ’লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মরহুম মোশাররফ হোসেনের ২য় পুত্র। তার ভাই মুক্তি যোদ্ধা সংসদ পৌর শাখার কমান্ডার ।

২৮.২২ বর্গ কিলোমিটার নিয়ে গঠিত জলঢাকা পৌরসভায় মোট ভোটার সংখ্যা ৩৩ হাজার ৬৩৪। এর মধ্যে নারী ভোটার ১৬ হাজার ৭১৩ জন।

তিনি নাগরিক সুবিধা বঞ্চিত মানুষের সুখে দুঃখে পাশে থেকে ২০১১ সালের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নারিকেল গাছ প্রতীক নিয়ে প্রথম মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন ।এবং তখন থেকে তার পথে চলা ।

সর্বশেষ ২০২১ সালের পৌর নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নারিকেল গাছ প্রতীক নিয়ে মেয়র নির্বাচিত হন ইলিয়াস হোসেন বাবলু । এবং মেয়র হিসেবে ২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি রংপুর বিভাগীয় কমিশনারের কাছে শপথ গ্রহন করে ২৫ ফেব্রুয়ারী মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণ করেন ।

এই বিভাগের সর্বশেষ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button